হযরত ইউনুস (আঃ) কিভাবে মাছের পেটে জন্ম নিলেন জেনে নিন

নবী হযরত ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪০ দিন মাছের পেটে ছিলেন। এটা প্রায় সবাই জানেন, কিন্তু কেন কীভাবে তিনি মাছের পেটে গেলেন এর আগে ও পরে কি হয়েছিল।

হযরত ইউনুস (আঃ) কিভাবে মাছের পেটে জন্ম নিলেন জেনে নিন

এর থেকে আমরা কি শিক্ষা পাই ইত্যাদি, অনেকেই জানিনা তাই আমার ও অন্যদের উপকারের জন্য আজকে আমি হযরত ইউনুস আলাইহিস সালামের ৪০ দিন মাছের পেটে থাকার ঘটনাটি শেয়ার করছি পোস্টটি পড়তে  হবে। আপনার জীবন ধারা হযরত ইউনুস আলাইহিস সাল্লাম ছিলেন আজকের ইরাক অঞ্চলে প্রেরিত একজন নবী। তার জাতির জনসংখ্যা ছিল এক লক্ষের একটু বেশি।

হযরত ইউনুস (আঃ) কিভাবে মাছের পেটে জন্ম নিলেন জেনে নিন

তিনি তাদের কাছে সৃষ্টিকর্তার একাত্মবাদ এবং এক সৃষ্টিকর্তার উপাসনা করার আহ্বান জানাতেন। কিন্তু তারা তা শুনত না, অন্যান্য বেশিরভাগ নদীর মতোই প্রথমে তার মানুষজন তার বাচ্চাকে প্রত্যাখ্যান করে তিনি মনেপ্রাণে চাই মানুষ এই বার্তা গ্রহণ করুক তাই এক পর্যায়ে তিনি বিরক্ত হয়ে ভাবলেন এরা গ্রহণ না করলে আমি অন্য কোন জাতির কাছে যাই যারা হয়তো আমার কথা শুনবে যেই ভাবা সেই কাজ।

ইউনুস নবী মাছের পেটে কতদিন ছিল

হুগলি গিয়ে পেলেন এক মাল বোঝাই জাহাজ। যাত্রার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে জাহাজে চেপে বসলেন মাছ সমুদ্রের তারা হঠাৎ মুখোমুখি হলেন বিশাল এক ঝড়ের। ঝড়ের আঘাতে এক পর্যায়ে জাহাজ ডুবতে শুরু করল খালা সেরা সিদ্ধান্ত নিল ওজন কমাতে মানপত্র পানিতে ফেলে দেওয়া হবে তাই করা হল।

কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবার ঢুকতে শুরু করলো এবার ঠিক করা হল লটারি করে যার নাম আগে আসবে তারা পানিতে লাভ দেবে। এতে করে অল্প কিছু মানুষ যারা শেষ পর্যন্ত রয়ে যাবে তারা হয়তো বেঁচে যাবে প্রথমবার লটারিতে নাম এবং হযরত ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবাই বলল না সাধুসন্ত মানুষ আবার লটারি করা হোক এভাবে পরপর তিনবার লটারি করা হলো তিনবারই নামেলো হযরত ইউনুস আলাইহিস সাল্লামের।

এবার সবাই বলল ঠিক আছে কি আর করার তাকেই প্রথম ঝাঁপ দিতে হবে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম বলেন সমুদ্রে ঝাঁপ দিলেন। হযরত ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর নির্দেশে এক বিশাল মাছ এসে আস্ত গিলে ফেলল তাকে কি মাছ ছিল তা আমরা জানিনা।

ইউনুস নবীর মাজার

এটি তিমি মাছ যদিও এটি তিমি মাছ নয়। এটি হাজার হাজার বছর আগের ঘটনা অতএব এমন কোন মাছ হতে পারে যেটি হয়তো তখন ছিল কিন্তু এখন তা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যাহোক মাছের পেটের ভিতর যখন তার জ্ঞান ফিরে এলো এবং তার শরীরের চামড়া হজম হয়ে যেতে শুরু করল তিনি নিকষ অন্ধকারে মাছের পেটের ভিতরে সিজদায় রত হলেন আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।

অর্থ তুমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই অবশ্যই আমি অপরাধীদের মধ্যে কি ছিলো তার অপরাধ নবীরা কখনোই ছিলেন না তারা পারেননি কিন্তু কেউ কেউ ভুল করেছেন আর সেটাও আল্লাহর পরিকল্পনারই অংশ। আল্লাহর সেগুলো রেখেছেন আমাদের জন্য শিক্ষা শুরু ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভুল ছিল তিনি নিজের জাতি তার বার্তা গ্রহণ না করায় অধৈর্য হয়ে অন্য জাতির খোঁজের রওনা হয়েছিলেন।

তার উদ্দেশ্য ভালো ছিল কিন্তু তিনি আল্লাহর নির্দেশ ব্যতিরেকে রওনা হয়েছিলেন এটা আমাদের মনে রাখা উচিত আল্লাহ আমাদের যাদের নিষেধ দিয়েছেন। তা পালন করে যেতে হবে আমরা তা বুঝি আর না বুঝি ফলাফল আল্লাহর হাতেই কতদিন বা কতক্ষণ তিনি মাছের পেটে ছিলেন আমাদের দেশে পপুলারলি প্রচলিত হলো ৪০ দিন বাস্তবতা হলো।

হযরত ইউসুফ আঃ এর

এটা আমরা অথেন্টিক সোর্স থেকে নিশ্চিত করে জানি না, প্রকৃতপক্ষে কতদিন ছিলেন তা মুখ্য নয় তিনি মাছের পেটে ছিলেন এটাই আসল ব্যাপার কেন কিভাবে মাছের পেটে এবং কিভাবে উদ্ধার পেলেন। আর মরে ইম্পর্তন্টলি আমরা এর থেকে কি শিখলাম সেটাই মূল বিষয়ে।

তার এই দুয়া লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন প্রসঙ্গে আমাদের নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথিরা প্রশ্ন করেছিলেন এই দুয়া কি আমরা ব্যবহার করতে পারি। তিনি অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন কেননা আল্লাহ কুরআনে বলেছেন অকাজালিকা নুনজিল মোমেনিন অর্থাৎ এভাবে আমি বিশ্ববাসীকে রক্ষা করি অতএব বিপদে-আপদে আমরাও এই দোয়া ব্যবহার করি।

ইউনুস ছিলো অবশ্যই রাসুলদেরই একজন

ঘটনায় ফিরে আসি আল্লাহর নির্দেশে মাছটি ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার পেট থেকে বের করে দিল এবং তিনি তীরে এসে পৌঁছালেন। আল্লাহ যেন তাকে রক্ষা করলেন আল্লাহ বলেন যদি তিনি তাদের মধ্য থেকে না হতেন যারা সর্বদা আল্লাহকে স্মরণ করেন তাহলে কেয়ামত পর্যন্ত তিনি মাছের পেটে থাকতেন।

হযরত ইউনুস (আঃ) কিভাবে মাছের পেটে জন্ম নিলেন জেনে নিন

আমরাও যদি সর্বদা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে বিপদের সময় আমরা আল্লাহকে কাছে পাবো ইনশাআল্লাহ ইনশাল্লাহ সুস্থ ও বিবস্ত্র অবস্থায় ফিরে এসে পৌঁছালেন আল্লাহর নির্দেশে নামক গাছ তার পাশে গর্জিয়ে উঠলো এর ছায়ায় তিনি আশ্রয় পেলেন। গাছের পাতায় লজ্জা-নিবারণ করলেন তার উপশম হলো অতঃপর তিনি আল্লাহর নির্দেশে এই রাখে তার জাতির কাছে ফিরে গেলেন।

আল্লাহ তার নেক বান্দার উপর শাস্তি আরোপ করবেন

গিয়ে তিনি বিস্মিত হলেন তিনি দেখলেন তার জাতীয় সভায় শতভাগ তারবার্তা গ্রহণ করেছে কি হয়েছিল ইউনুস আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বলেছিলেন তার বার্তা গ্রহণ না করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে শাস্তি আসবে ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাওয়ার পর বিশাল এক মেয়ে তাদের এলাকা থেকে ফেলে পূর্ববর্তী জাতীয় সাজা কথা জানত তারা বুঝতে পেরেছিল।

এই সেই আযাব শাস্তি যা কথা ইউনূস আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বাধিক উল্লেখ করেছেন। এই পর্যায়ে তারা সবাই এক আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং এককভাবে তার উপাসনা শুরু করে অতঃপর আল্লাহর আযাব সরিয়ে নেন আল্লাহপাক আমাদের সঠিক বুঝার এবং সঠিক বিষয় আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন।

এমন শিক্ষণীয় জ্ঞাননির্ভর পোস্ট  নিয়মিত পেতে কমেন্ট করুন।

Add a Comment

Your email address will not be published.