ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ইনকাম করার সহজ ব্যবস্থা

একজন শিক্ষার্থী যদি পড়ালেখার পাশাপাশি আয় করতে চায় তাহলে অনেক রকমের সুযোগ রয়েছে । তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ইস্কুল ছাড়া ইনকাম।  সোজা বাংলায় আমরা জাতি হিসেবে  অলস  এবং কর্মবিমুখ এবং সহজে আয় করার চিন্তা করে থাকে। তুমি যদি শুধুমাত্র কথা বলা যাবে একটু সহজ করে বলি বলার মত চুপ করে থাকো না স্বাভাবিকভাবেই মুখ থেকে বৃষ্টির মত কথা ঝরে পড়ে।

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ইনকাম ব্যবস্থা

তাহলে তোমার জন্য দারুন একটা কাজ রয়েছে। আমাদের দেশে সারা বছরই কোনো না কোনো মেলা হয়ে থাকে। যেমন বাণিজ্য মেলা, ঈদ মেল, বই মেলা  ,আয়কর মেলা ,  এই সেই অারো কতো কি? তোমার প্রথম কাজ যে কোন একটা মেলা কে টার্গেট করা। গুনে গুনে থেকে চার দিন চলে যাবে।

তাদের সেলসম্যান লাগবে কিনা এ ব্যাপারে তাদের জিজ্ঞাসা করি। তোমার ফোন নাম্বার দিয়ে আসো যদিও আগেই নিয়োগ হয়ে যায়। কিছু কিছু ইন্সটল হোক কিন্তু মেলা শুরু হওয়ার পরে অনেকে নানা কারণে আসতে পারে না এবং এমন দৃশ্য বেশিরভাগ হয়ে থাকে।ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ইনকাম ব্যবস্থা

কোথাও না কোথাও কারও অনুপস্থিতির কারণে তোমার কাজ জুটে যাবে। তারপর মন দিয়ে পুরো মেলাজুড়ে কাজ করো । তাই তোমাকে পরে তাদের জন্য হ্যাঁ করবে এবং সেখানে তোমার অনেক সাথে পরিচয় হয়ে যাবে ।বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর সাথে অনেকেই কাজ করে।

তোমাকে কাজের অফার করবে

তারাই তোমাকে কাজের অফার করবে । এরপর সারাবছর দেখবে কাজের চাপে তুমি একটু বিরতি খুজবে।  সেজন্য মেয়েদের সাথে ভালো যোগাযোগ রাখবে যারা ইভেন্টের কাজ করে থাকে তারা অনেক কাজের অফার তোমাকে দিতে পারবে ।মেয়েদের কথা বললাম বলে এটা ভেবো না তুমি মেয়েদেরকে ইউজ করবে।বন্ধু হিসেবে রাখতে পারো।

ভালো হয় এবং সরি কি বললেন,এমন কথা বলার অভ্যাস না থাকে। তাহলে বিভিন্ন বাংলা এবং ইংলিশ কল সেন্টার রয়েছে ঢাকাসহ সারাদেশে। এসব সেন্টারে স্মার্ট সালাম হয় যদি তুমি ইংরেজি পড়তে পারো এবং অর্থ বোঝো । আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছে, বেশিরভাগ কল সেন্টার একটা ফাইল পড়তে দেয় এবং জিজ্ঞাসা করে এই বাক্যের বাংলা অর্থ কি।

জলদি উত্তর দিতে পারো তাহলে জব নিশ্চেদ । এরপর তোমার যোগ্যতা দেখানোর পালা ।পত্রিকায় চাকরির নিউজ ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজের খোঁজ রাখো এমন অনেক পোস্ট তুমি দেখতে পাবে । বেশিরভাগ মানুষই না জানার কারণে এটা ওটা বলে ভয় দেখায় তুমি যদি লিখতে পারো তাহলে তোমার সাম্প্রতিক সময়ে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা  ,কিভাবে সেখানে যেতে হয়্,  কম খরচে কিভাবে ঘুরতে হয় ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত পোস্ট লিখে ভালো ছবি সহকারে এবং প্রিন্ট করে কয়েকটা পত্রিকার অফিসে গিয়ে দিয়ে আসো।

সম্মানী হিসেবে ৫০০থেকে দেড় হাজার টাকা

মানুষ হিসেবে বেছে নিবে এবং তোমার লেখা ভালো হলে সম্মানী হিসেবে ৫০০থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়ে দিবে ।এরপর সম্পাদক তাই তোমাকে ফোন করবে। শুক্রবারের ফিচারে তোমার লেখা লাগবে তোমার লেখা চাই। সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক তাকে ধরেছে তোমার লেখার জন্য এরকম অনেক রিকোয়েস্ট।একটা সময় তুমি পেয়ে যাবে শুধু প্রথম লেখা।পাবে সে জন্য তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে ।

সেজন্য সাংবাদিক সেই পত্রিকার সম্পাদক এবং সম্পাদকের রুমে যে পিয়ন যা দেয় তা কেউ তোমাকে একটু ফিটিং দিতে হবে।  তাহলে দেখবে তোমার কাজের সুযোগ অনেকাংশে বেড়ে যাবে এবং বর্তমানকাল ইলেকট্রোপ্লেটিং না দিলে হয় না । তুমি ফ্রীল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে লিখতে পারো। তোমার আশেপাশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ছবিসহ লিখে পত্রিকায় জমা দাও।

লেখার গুরুত্ব থাকলে ছাপা হবে এবং পেমেন্ট দেবে। অনলাইনে অনেক পোর্টাল রয়েছে যারা নিয়মিত হাহাকার করে । তাদেরকে মেইল করো ,তারা সারা দিবে। বাংলাদেশের নাম নিশ্চয়ই শুনেছ। চলে যাও সেখানে প্রায় সব প্রকাশনীর অফিস যেখানে রয়েছে । তাদের সাথে কথা বলো তুমি প্রোপ্রাইটার হিসেবে কাজ করতে চাও।

কিছু সাইটে কাজ করেছে বলে কনফিডেন্সের সাথে একটু মিথ্যা বলে দাও। কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কোথা থেকে আসবে তাই না । আর পোস্টিং ছাড়া কোন লেখা বই আকারে প্রকাশ হয় না। সেখানেও কিন্তু আমরা অনেক বানানো দেখতে পাই তারা যদি ঠিকমতো কাজ করতো তাহলে এত ভুল  কি হবে আশা করি । আমার পয়েন্ট তোমরা বুঝতে পেরেছ।

কয়েকটা ফ্রীদায় কাজ করে দাও

কয়েকটা ফ্রীদায় কাজ করে দাও । সেজন্য বড় বড় যে প্রকাশনীগুলো রয়েছে সেখানে তোমাকে যেতে হবে। তোমার লেখাপড়া হয়ে গেল সেই সাথে কাজটা তোমার করা হয়ে গেলো ।এরপর কোন প্রকাশনীতে গিয়ে তোমার ছবি দেখাও, যে অমুক অমুক বর প্রকাশনীতে তুমি কাজ করেছো।

আমাকে নেবে এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। বাসায় পান্ডুলিপি দেখবে ইউসুফ হয়ে গেছে। তোমার কাজ শেষ হবে না । তারা সাধারণত বইয়ের ফ্রম হিসেবে তোমাকে টাকা দিবে। একটা বই থেকে সাধারণত এক থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায় ।

দেশি-বিদেশি অফিস ব্যক্তির ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হতে পারো ।ইংরেজিতে অডিও বুক বানাতে  পারো।মোহাম্মদপুর গুলশানের বিভিন্ন ইজ কানাডিয়ান কল সেন্টারে ভয়েজ এজেন্ট হতে পারো ।  প্রায় পাঁচ মাস কাজ করে অনেক টাকা পাবে ।কারণ মূল কাজের পাশাপাশি এখানে পুরোপুরি রয়েছে বেশ ভালো পরিমাণে বলতে আমি এটা বুঝাই নাই যে, তুমি এর কাছ থেকে তার কাছ থেকে হাতটা দেখাবে।

বরং তোমার ভালো কাজের জন্য এদিকে তোমাকে বোনাস দিবে। ইংরেজি জানা থাকলে ওয়েবসাইট বানিয়ে তাতে আর্টিকেল লিখে আয় নিশ্চিত রাস্তা খুলে দিতে পারে।  বছরখানেক কষ্ট করলে এরপর তুমি সাইটকে ভুলে গেল। দেখতে পাবে প্রতি মাসে এই সাইট তোমার জন্য কয়েকশো ডলার নিয়ে আসবে।

ছাত্রদের জন্য পার্টটাইম জব

ইনকাম করছে সাথে রয়েছে আফিলিয়েট ইনকাম একটু বুদ্ধি থাকলে এই জামানায় পকেট খালি থাকে না। তুমি যদি টিউশনি করতে চাও, তাহলে সেটাও করতে পারো। ফেসবুকে অনেক সাইট রয়েছে। যারা প্রথম মাসে ইনকাম ভাগাভাগি করার বিনিময় বিভিন্ন জায়গায় টিউশনি দিয়ে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করে ও তুমি কাজ পেয়ে যাবে।

তুমি চাইলে ঘরে বসেই পড়াতে পারো । সেজন্য অনলাইন এ  গুগোল মিটে কোচিং করাতে পারো । এক্সামের খাতা বারকিং করেও আয় করতে পারো। কলেজ-ভার্সিটিতে ফ্যাকাল্টি থেকে রিচার্জ ডাটা কানেকশনের কাজ করে থাকে অ্যাসাইনমেন্ট লিখে রিসার্চ পেপার নোট করে আয় করতে পারো । তুমি ঘরে বসে থাকলে কাজ পাবে না।

এটুকু সবার আগে মনে রাখ সে জন্য অনলাইনে পোস্ট করো এমন অনেকেই বসে রয়েছে ।এসাইনমেন্ট লিখে দেয়ার লোকের জন্য তুমি কাজের অর্ডার নিয়ে আরো অনেকের সাথে মিলেমিশে কাজ করে প্রচুর ইনকাম করতে পারো।  তুমি ফটোগ্রাফি গ্রাফিক ডিজাইন  ওয়েব কর।

কয়েক হাজার টাকার পণ্য কিনে তুমি বিজনেস শুরু করে দিতে পারো । সেজন্য বিভিন্ন বিজনেস পেজ এ পোস্ট দিতে থাকো। নিজের পণ্যের এবং লাইক করো। লাইফের প্রচুর সেরা সেরা পোস্ট করে তুমি পাবে না কয়েক মাসের ভেতর দেখতে পাবে তোমার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ।এবং এরপর তোমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না ।

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০- ২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

আর সবচেয়ে লাভজনক বিজনেস ইলেকট্রনিক্স বিজনেস ৫০০০  টাকা দিয়ে তুমি এটা শুরু করতে পারো। তুমি যদি পরীক্ষার মানসিকতার ছেলে বা মেয়ে হয়ে থাকো ,তাহলে স্কুল কলেজ শপিং মলের সামনে দাঁড়িয়ে একটু স্মার্টলি কথা বললেই দেখতে পাবেন  যে,  তোমার পণ্য বিক্রি হতে থাকবে।

Capture

সেতো আমি নিজেও এখন এই সেক্টরে কাজ শুরু করেছে। যা দুই মাস আগে তোমাদের জানিয়েছিলাম তাই এটা ভাল মত জানি । এই লাইনে কি পরিমাণ মুনাফা হয়ে থাকে। এখন কথা হচ্ছে কিভাবে শুরু করবেন প্রথমে মনে রেখো সুযোগ জীবনে একবারই আসে।

তোমাকে রাস্তায় বের  হতে হবে মানুষের কাছে ধারণা দিতে হবে। এবং তোমার পরিকল্পনার কথা অবশ্যই তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবে না। আর নয় তো তারা তোমার পিছিয়ে যাওয়ার কারণ হবে ।এই দুনিয়াতে যত কাজ হয় তার সবগুলোই পরিশ্রম করে অর্জিত হয়েছ।

 

Add a Comment

Your email address will not be published.