কি কি কাজ করলে এবং বাদ দিলে দ্রুত ধনী হয়া যায়

হ্যালো ফ্রেন্ড, আপনি অনেক সময় এটা লক্ষ্য করেছেন যে, কোন কোন মানুষ খুব তাড়াতাড়ি ধনী হয়ে যায়। মনে হয় উনি টাকা আয় করার কোন ম্যাজিক শিখেছেন। এটা আমরা ঠিক বুঝতে পারি না। যে এত টাকা কিভাবে উপার্জন করেন।

কি কি কাজ করলে এবং বাদ দিলে দ্রুত ধনী হয়া যায়

বিষয়টি ঠিক বিশ্বাস হয় না, আর আমরা ভাবতে থাকি তিনি হয়তো কোন অসদুপায় অবলম্বন করছেন। কোন অসাধু পথের কথা বলব না। এমন একটি পয়সার কথা বলব যার দ্বারা সাফল্য অবশ্যই আসবে খুব তাড়াতাড়ি ধনী হওয়া যাবে।   আপনার জীবনের সেরা পথ চেয়ে অবশ্যই পাবেন তরুণ বিষয়টি পর্যালোচনা করা যায়।

পৃথিবীতে মোট তিন ধরনের মানুষ দেখা যায় সোনার ভাগিনা প্রথমে দরকার সেটা বলে এই ধরনের মানুষদের কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে না কারণ তারা দীর্ঘমেয়াদী চিন্তাভাবনা করে না সাধারণত তারা ধরাবাঁধা ইনকাম বা ঝাড়ের উপর নির্ভর করে থাকেন নতুন নতুন ইলেকট্রিক গেজেট অনেক দামি দামি জামা কাপড় দামী।

কি কি কাজ করলে এবং বাদ দিলে দ্রুত ধনী হয়া যায়

এগুলো হয়তো তার ক্রয়সীমার বাইরে এই সমস্ত ফালতু জিনিস পত্র কিনা তাদের টাকা পয়সা নষ্ট করে এমন ভাবে নিজেকে অনুসরণ করে মনে হয় সে খুব ধনী ব্যক্তি কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার খারাপ অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য অন্যকে দোষারোপ করতে থাকে যেমন আমার সময় ভালো যাচ্ছে না। দেশের সরকার ভালো না।

ধনী হওয়ার লক্ষণঃ

আমার কপালটাই খারাপ প্রভৃতি এই সমস্ত মানুষের ভাবেন তাদের সমস্ত সমস্যা বাইরে কারনে হচ্ছে তাই এর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টাও করে না তারা কখনও নীচের দশটি দেখতে পারেনা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ ই থেকে যায় যার প্রধান কারণ তাদের জন্য ফিনান্সিয়াল ইন্তেলিজেন্স নাম্বার।

এই ধরনের মানুষের জীবন তোকে এমন হয় তারও কোনো ভালো ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা করেন এরপর স্ট্যান্ডার একটা চাকরি খুঁজে যেখানে থেকে ভাল আয় করা যাবে সালের থেকে কিছু সেভিংস করে লংটাইম ইনভেস্ট করে দেয়, এবং ফাইনালে যখন ৬০৬৫ বছর বয়স হয়ে যাবে তখন মিলেনিয়ার হয়ে যাবে।

কিন্তু বিষয়টি গভীরভাবে চিন্তা করুন যখন অফিসার বা ৬৫ বছর বয়স তখন আপনি হয় এমন ভাবে চলাফেরা করবেন বা হয়তো এমন ভাবে ওই বয়সে আপনি মিলিয়নিয়ার হয়ে কি করবেন। এই বাড়ি-গাড়ি এইসব দিয়ে আপনি তখন কি করবেন বলেন আর সবথেকে বড় প্রবলেম হল .৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নিজেকে বেচে দেওয়া।

ইসলামে ধনী হওয়ার উপায়ঃ

তার ভবিষ্যতের সেফটি ও সিকিউরিটির জন্য এবার আলোচনা করা যাক একটা শর্টকাট এর মত যেটা আপনাকে খুব রাতারাতি ধনী মানুষের পরিণত করতে পারে সেজন্য খুব মনোযোগ দিয়ে এটা বোঝার চেষ্টা করুন হাসলেন আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো লোকদের আর চাহিদা পূরণ করতে হবে এর মানে এই না।

আপনি এন-জি-ওতে জয়েন করুন আর মানুষদের সাহায্য করুন এর মানে এই যে এমন ধরনের পরিষেবা প্রদান করতে হবে যাতে মানুষ নিজে এসে আপনাকে পয়সা দিয়ে যায় এই পথে চলার জন্য আপনাকে চ্যাটিং করতে হবে তো চলুন এবার সেগুলো দেখা যাক কুইজ নাম্বার ওয়ান দাম।

ফোকাস ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যান আপনার চাকরি ইনভেস্টমেন্ট ইন্সুরেন্স এসব ছেড়ে দেন এসব হয়তো আপনাকে কোনদিন ধনী বানিয়ে দেবে তারপর যখন আপনার বয়স ষাট বছরের বেশী হয়ে যাবে তখন ওই টাকা পয়সার কোন কাজে লাগবে না নাম্বার টু ম্যান এন্ড এনিমেল আপনার সময় কে যথার্থ ব্যবহার করুন তাকে অল্প টাকা আয় করার জন্য নষ্ট করবেন না।

কারণ হয়ত আপনারা অল্প টাকা হয়তো ওই সমস্ত জিনিস কিনতে সাহায্য করবেন। কিন্তু কখনো ধনী ব্যক্তি পরিণত করবে না মিলিয়নিয়ার ব্যাক্তিরা সবাইকে ক্যান যে ভুল ভেঙে বানানোর চেষ্টা করে মানে এমন কিছু তৈরি করে যেটা ঐ ব্যক্তির অনুপস্থিতিতেও ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়াতে থাকে যেমন বই লেখা ওয়েবসাইট।

অল্প বয়সে ধনী হওয়ার উপায়ঃ

প্রভৃতি এই জিনিসগুলো ২৪ ঘন্টা কাজ করে তার নির্দিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত না থাকলেও তিনি অর্থের পেছনে দৌঁড়ানো ছাড়ুন মানুষের চাহিদা পূরণ করুন অধিকাংশ ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণ তাদের স্বার্থপরতা যেসব বিজনেস শুধুমাত্র নিজের কথা ভাবে তারা কখনোই সফল হতে পারে না।

আর যেসব ২০১০ মানুষের নির্ধারণ করে তার সাকসেসফুল অবশ্যই হয় ধরুন আমি একজন দোকানদার আর আপনি আমার কাছ থেকে কোন জিনিস কিনবেন এবং আপনি বুঝতে পারলেন ওজন করার সময় আমি কিছুটা কম দিয়েছি তো আপনি কি দ্বিতীয়বার আমার দোকানে কিছু কিনতে আসবেন অবশ্যই না।

আপনি সেখানে যাবেন যেখানে আপনার স্যাটিসফ্যাকশন হবে আপনি যে জিনিসটা কিনি যে জিনিসটা তো খরচ কম মূল্যের সমান নয় এছাড়া আপনি খেয়াল করবেন অ্যামাজন আলিবাবা প্রভৃতি কোম্পানিগুলো প্রতিনিয়ত কাস্টমার দের কাছ থেকে ফিডব্যাক নিচ্ছে যে তাদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে কিনা বা তারা সার্চলাইট কি।

কিভাবে কোটি টাকার মালিক হওয়া যায়ঃ

এই সমস্ত বিষয় কিন্তু প্রতিনিয়ত ফিডব্যাক নেয় এবং খবর নিতে থাকে কাস্টমার তাদের প্রতি হ্যাপি কিনা এখন আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করুন যে কিভাবে আপনি মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করতে পারবেন। যাতে সে নিজেই আপনাকে টাকা দিয়ে যাবেন নাম্বার ফোর স্পেলিং অ্যান্ড রেইন ফরেস্ট দ্য ফ্লোর ধরুন আপনার ঘরের ছাদে এত নিচু আপনি সহজেই স্পর্শ করতে পারেন।

এর মানে আপনি খুব বড় একটা সমস্যা আছেন যদি আপনি একটু নাচ দেন তাহলে সেটা আপনার মাথায় আঘাত লাগবে। এজন্য আপনি যেটা করছেন সেটা খুব ভালোভাবে বোঝানো যে আপনি ওখান থেকে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন সেটা ভবিষ্যতেই বাকি প্রভৃতি ধরুন আপনি একটি অ্যাপ বানাচ্ছেন তাহলে আমি স্টাডি করুন।

কেমন ধরনের অ্যাপ এর চাহিদা বর্তমানে বাজারে আছে কেননা হয়তো ওই একটি আপি আপনার জীবন বদলে দিতে পারে এমনও হতে পারে এরপর আপনার আর কোন কাজই করা দরকার পড়লো না তার ঋণ পরিশোধে ফুলের মানে সবসময় একটিভ একা প্ল্যান তৈরি করে রাখুন কারন আপনার ব্রিজ।

কি কি কাজ করলে এবং বাদ দিলে দ্রুত ধনী হয়া যায়

কারকে ছোট ডিসিশনে শেষ হয়ে যেতে পারে ধরুন আপনি যে আপনি তৈরি করেছেন সেই একই ধরনের আরও একজন ব্যক্তি তৈরি করলেন এবং সেই অতীতে আর এডভান্স কিছু ফিচার তিনি যোগ করলেন তা যে জায়গায় আপনি দাঁড়িয়ে আছেন সেটা আগে বুঝুন ওটা কম শক্তিশালী নয় তো এলেনা চলার। জন্য পাঁচটা কথা আপনাকে সব সময় মাথায় রাখতে হবে।

রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার উপায়ঃ

নেট এন্ট্রি কন্ট্রোল স্টেশন টাইম এই কথাটি বলবো আপনি পাশে চলে সাসুরাল এর থেকে অনেক কম সময়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হবেন এর প্রচুর উদাহরণ আছে যেমন বিল গেটস মার্ক জাকারবার্গ যদিও এই রাস্তায় চলা খুব সহজ নয় কিন্তু ওর কারণ আপনার জীবনের বহু মূল্যবান সময় বেচে যাবে।

ফ্রেন্ডস তোমরা এখন ভাবতে শুরু করো যে কি এমন কাজ করলে তুমিও ফাস্ট ট্রেন আসতে পারবে তুমিও তোমার স্বপ্ন গুলো খুব তাড়াতাড়ি পূরণ করতে পারবে কারণ আমাদের জীবন কিন্তু সীমিত যা কিছু করতে হবে খুব তাড়াতাড়ী এই মহাবিশ্বকে অন্যতম ধনী।

 

Add a Comment

Your email address will not be published.